2nd part
সুরেশ যখন মাঠে পোঁছাল ওর ঘোর কাটল একটা ঠাণ্ডা হাওয়ার ঝাঁপটায় ।
কিন্তু কোথায় সুরেশ ? কোথায় কে ? ওর আশে পাশে কেউ কোথাও নেই ।
বলদ গুলো যেন নিজদের দড়ি থেকে ছাড়ানোর জন্য লাফালাফি করতে লাগল । হঠাত একটা ঠাণ্ডা হাওয়ার সাথে ওর কানে ভেসে এলো ওর ছেলের আওয়াজ । কিন্তু আওয়াজটা কেমন যেন নেকী সুরে আসছে।
বাবা'''''''''/ হি হি হি হি হি হি হি হি হি
তারপরেই চখের সামনে সব কিছু অন্ধকার হয়ে গেল সুরেশের । লুটিয়ে পড়ল মাটিতে
ভোরের আলো ফুটতেই কিছু গ্রামবাসীর ডাকাডাকিতে চো খখুলল সুরেশ । চোখ খুলতেই ভোরের আলো এসে বিঁধল ওর চোখে ।
দু হাতে চোখ ঢেকে নিতেই মনে পড়ল গত রাতের ঘটনা । কিভাবে একটা ক্ষীণ গলার স্বর কে অনুসরণ করে ও এখনে এসে পোঁছাল ।
ধরফরিয়ে উঠে বসল সে । চারদিকে তাকিয়ে ও যা দেখল তাতে তার হৃদপিণ্ড বেরিয়ে আসার মত । ও বসে আছে ওর জমির উপর । দুটো বলদের মধ্যে একটির মাথার শিং দুটো মাটির তলায় গেথে গেছে ।ওই শিং এর উপর ভর করে পুরো শরীরের উপর ভর করে শূন্য অবস্থায় ঝূলে আছে । আরেকটা বলদের ধর থেকে মাথা আলাদা । মাথাটা আধ খাওয়া অবস্থায়পরে আছে একটু দূরে । পাড়ার লোকজন ওরে ধরে বাড়ি নিয়ে আসল ও সবাইকে সবকিছু খুলে বলল । পাড়ার লোকজন জানায় ওই বাঁশঝাড়ের নিচে আগে অপঘাতে যারা মারা জেট তাদের কবর দেওয়া হত । জায়গা টা ভালনা । আর এভাবে কারো ডাকে সাড়া দিতে নেই । নিশি ডাকে । সেই রাতে একা বেরোতে নেই । তবে সুরেশের ভাগ্য ভাল নিশির ডাকে সুরেশ একা বের হয়নাই সাথে বলদ ২টাকে নিয়ে গেছে । নাহলে আজকে অইবলদ গুলর জায়গায় অ থাকত । সবার কথা শুনে সুরেশের যেন ভিতর দিয়ে ঠাণ্ডা রক্তের স্রোত বয়ে গেল । এসব কথায় সে কোনদিন বিশ্বাস করতনা কিন্তু গত দুদিনে ও নিজের চোখে যা দেখল যা শনল তাতে ওর বিশ্বাসের সমীকরণ টাই বদলে গেছে ।
সমেশের চলে যাওয়াতে সুরেশ এখন একদম একা হয়ে গেছে । সেদিনের পর থেকে আজ ও সে পরিষ্কার শুনতে পায় নেকি গলায় ওর ছেলের ডাক ।
বাবা ও বাবা......... ওঠ / জল দেওয়ার সময় যে বয়ে জায় । হি হি হি হি হি হি হিহ ই
নিশি আজ ও ডাকে সুরেশ কে .........শুধু আজ ও সারা দেয় না ............।
সমাপ্ত
Comments
Post a Comment